দুর্গাপুরে নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজ: মাসজুড়ে সিউড়ি-কলকাতা রেল যোগাযোগ ব্যাহত
কলকাতা, ২রা নভেম্বর, ২০২৫: পূর্ব রেলের আসানসোল ডিভিশনের দুর্গাপুর স্টেশনে নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজের জন্য নভেম্বর মাস জুড়ে একাধিক ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, এই কাজ চলবে ২রা নভেম্বর থেকে ২৩শে নভেম্বর পর্যন্ত, যার ফলে সিউড়ি ও কলকাতার মধ্যে রেল যোগাযোগে বড়সড় প্রভাব পড়তে চলেছে। এই সময়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন বাতিল করা হয়েছে এবং কয়েকটির পথ পরিবর্তন করা হয়েছে।
কোন কোন ট্রেন বাতিল ও পথ পরিবর্তন?
রেলের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিউড়ি-শিয়ালদহ মেমু (শিয়ালদহ থেকে ২০-২৩ নভেম্বর এবং সিউড়ি থেকে ২১-২৪ নভেম্বর) এবং হাওড়া-সিউড়ি হুল এক্সপ্রেস (উভয় দিকে ২০-২৩ নভেম্বর) সম্পূর্ণরূপে বাতিল থাকবে। এছাড়াও, হাওড়া-দেওঘর ময়ূরাক্ষী এক্সপ্রেস ২০ থেকে ২৩শে নভেম্বর পর্যন্ত খানা জংশন থেকে বোলপুর হয়ে সাঁইথিয়া পৌঁছাবে, অর্থাৎ অন্ডাল দিয়ে যাবে না। এর ফলে সিউড়ি থেকে কলকাতাগামী যাত্রীদের চরম ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কিছু নির্দিষ্ট দিনে, যেমন ২, ১২, এবং ১৬ই নভেম্বর হাওড়াগামী হুল এক্সপ্রেস সাঁইথিয়া ও বোলপুর হয়ে বর্ধমান পৌঁছাবে। আবার ৩, ৪, এবং ১৪ই নভেম্বর হাওড়া থেকে সিউড়িগামী হুল এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা দেরিতে ছাড়বে বলে জানানো হয়েছে। পূর্ব রেলের আধিকারিকদের মতে, এই কাজের ফলে দীর্ঘমেয়াদে সিগন্যাল ব্যবস্থা উন্নত এবং যাত্রী পরিষেবা আরও নিরাপদ হবে।
(আরও জানতে: Google-এ অনুসন্ধান করুন)
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে বিজেপি সাংসদের মন্তব্যে রাজনৈতিক বিতর্ক
কলকাতা, ২রা নভেম্বর, ২০২৫: ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাংসদ জগন্নাথ সরকারের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। তিনি বলেছেন, ২০২৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে দেওয়া হবে এবং দুই দেশ আবার এক হয়ে যাবে। এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
কী বলেছেন জগন্নাথ সরকার?
শনিবার এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এর সমালোচনা শুরু করে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই মন্তব্যকে 'দেশের সুরক্ষার প্রতি বিপজ্জনক' এবং 'বিজেপির বিভাজনের রাজনীতির প্রতিফলন' বলে অভিহিত করা হয়েছে।
যদিও, রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, সাংসদের বক্তব্যকে ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, "আমার মনে হয়, তাঁর বক্তব্য ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া ইতিমধ্যেই আছে এবং বাকি অংশেও তা বসানো হবে।" তবে এই মন্তব্যের জেরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশের মতো বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।
(আরও জানতে: Google-এ অনুসন্ধান করুন)